মঙ্গলবার, ৫ জুন, ২০১৮

সবার জন্য পরামর্শ–০২

হাফেজে কুরআন যারা খতমে তারাবীহ
পড়াচ্ছেন, তাদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা ৷

যথেষ্ট দুঃখজনক হলেও সত্য যে,
সারা বছর অন্য সবকিছু করার সময় পেলেও 'আমরা অনেকেই' কুরআনে হাকীম তিলাওয়াতের সুযোগ তেমন পাই না ! কেন পাই না? .. আল্লাহ মা'লূম ! ফলে কুরআন আমাদের দিলে ঘুমিয়ে থাকে ! জাগ্রত থাকে না ! কিন্তু, যবে থেকে রমযান শুরু হয়ে গেলো, সেই ঘুমন্ত কুরআনকে জাগাতে দিন-রাত এক করে তিলাওয়াতে মহা ব্যস্ত হয়ে পড়ি আমরা! সওয়াবের আশায় নয়; তারাবীহ পড়াতে হবে যে ! আল্লাহ মাফ করুন ৷
যাইহোক, তারাবীহ তো পড়াতেই হবে! সেজন্য প্রস্তুতির অংশ হিসেবে পর্যাপ্ত পরিমান তিলাওয়াতও করতে হবে!
কিন্তু, দিন-রাত এক করে না ঘুমিয়ে রমযানে যেন আর এতো মেহনত করতে না হয় বা মেহনত কম করলেই চলে, সেজন্য একটি পরামর্শ ! মানলে কাজে দিবে, নিশ্চিত ! ইনশা আল্লাহ ৷

→ প্রতিদিনের তারাবীহের জন্য যেই পরিমান
তিলাওয়াতের প্রস্তুতি আমরা নিয়ে থাকি ,
ঐ এক-দেড় পারা কুরআন আমরা যেন খুব
ভালোভাবে আয়ত্ত্ব করে নিই! তারাবীহ পূর্ব
সময়ে কাউকে যেন শুনিয়ে নিই! তারাবীহের
পরে যেন কোথাও কোনো ভুল আছে কি না,
শুধরে নিই! সাহরী খেতে উঠবো যখন, তখন
যেন তাহাজ্জুদে দাঁড়িয়ে পুনরায় তা মালিককে
শুনিয়ে দিই! এভাবে যেন প্রতিদিনের আমল
প্রতিদিন করে পুরো একটি মাস কাটিয়ে দিই!
বিশ্বাস করুন, আপনার এই এক মাসের আমল
আপনাকে কমপক্ষে আগামী পাঁচ বছর পর্যন্ত
এনার্জি যোগাবে! প্রতি বছরই যদি এই আমল
জারী রাখা যায়, তাহলে কুরআনের প্রতিটি সূরা ও
আয়াত আপনার সামনে হার হালতে আয়নার
ন্যায় ভাসছে মনে হবে, ইনশা আল্লাহ ৷
তাছাড়া, সারা বছর দৈনন্দিন তিলাওয়াতের
অভ্যাশ তো হাফেজদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় ৷

সবার জন্য পরামর্শ–০১

আলিম-উলামা ও ত্বলাবা যারা আছেন-
লেখা-পড়ায় কিংবা চেহারায় একটু কম
হলেও মাদ্রাসা পড়ুয়া মেয়েদেরকেই বিয়ে
করা উচিত ৷ একটু সময় বেশি লাগলেও!
বিপরীত হলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সংসার
টিকে না অথবা সংসারে শান্তি আসে না ৷
পরিক্ষীত, ব্যতিক্রমের সংখ্যা খুবই নগন্য ৷

ভিন্ন পরিবেশের একটি মেয়ে হঠাৎ করেই
বদলে যেতে পারে না ৷ সম্ভব হয়ে উঠে না ৷
যে মেয়েটি আগে থেকেই পর্দা রক্ষা করে
চলা শিখেনি, নামাযের পাবন্দি করেনি এবং
গান-বাদ্য ও নাটক–সিনেমাকে হারাম বলে
জানে নি, সে কীভাবে কারো কথায় হঠাৎ
করেই বদলে যাবে ?! কীভাবে তা সম্ভব? ..
সে তো নিজেকে 'বন্দী পাখি' মনে করবে !
আর সবকিছুই তার কাছে নিশ্চিত বাড়াবাড়ি
মনে হবে ! অবশেষে দেখা যাবে, লাজ–শরম
ও মান-ইজ্জতের মাথা খেয়ে সংসার ভাঙছে!
কিছুই ভাববে না সে ! কিছুই মনে করবে না !

মান হারাবে আপনার এবং শুধুই আপনার ..

মুসলিম জাতির এ কী হলো!

অধঃপতিত মুসলিম উম্মাহ'র এমন একটি
নাজুক সময় আসবে, যখন মাটির ভেতরে
ঢুকে যাওয়ার রাস্তাটাই শুধু নিরাপদ রাস্তা
বিবেচিত হবে !
উম্মত সেদিকেই ক্রমশঃ এগিয়ে যাচ্ছি আমরা!

সোমবার, ১৪ মে, ২০১৮

কবূলিয়াত বড় দামি জিনিস

ভাবনার বিষয় ৷ মনে করে দেখুন—
খুব কাছে থেকে দেখা অনেককেই
দেখে মনে হতো- 'ঝরে যাবে হয় তো'!
কিন্তু, না! ঝরে যায় নি সে/তারা ৷ ..
তাদের অনেকেই আজ সমাজ, দেশ ও
জাতির স্বার্থে বড় বড় কাজ করছে!
" আল্লাহ তাদের কাজে লাগিয়েছেন ! "
আজ তারা সফল ব্যক্তিত্ত্ব প্রমাণে বেশ
এগিয়ে ৷ সে জন্যই তো, কবূলিয়াত বড়
দামি জিনিস ! কিছুই বোঝার উপায় নেই ৷

মঙ্গলবার, ২৭ মার্চ, ২০১৮

হযরত আলীর রাযি. নসীহত

রাতের আঁধারে এমন কোন
কাজ করো না , যার কারণে
দিনের আলোয় তোমাকে মুখ
লুকিয়ে থাকতে হয় ৷ দিনের
আলোতেও এমন কোন কাজ
করো না , যার কারণে 'রাতের
ঘুম' তোমার নষ্ট হয়ে যায় ৷

শনিবার, ১৭ মার্চ, ২০১৮

আজমীর শরীফের খাদেম!

ক'দিনের ছুটি শেষে আজই সকালে
কর্মস্থলে ফিরেছি ৷
জুমু'আর নামাজ আদায় করে রুমে
ফিরছিলাম, হঠাৎ মুসাফাহা করতে
দু'হাত বাড়িয়ে এক বৃদ্ধের আগমন ৷
মুসাফাহা করলাম ৷ কথা বললাম ৷
শুনলাম, উনি আজমীর শরীফের
খাদেম, আমাদের এম. ডি সাহেবের
খাস মেহমান ! সুদূর ভারতবর্ষ থেকে
আমাদের গরীব দেশে ' কালেকশন'
করতে এসেছেন !
কথা হিন্দিতে বললেও উনি বাংলা
কিছু কিছু বুঝেন ৷
আমার জুমু'আপূর্ব বয়ানের অনেক
প্রশংসা করলেন উনি ৷
কিন্তু, উনার অভিযোগ হলো—
মুনাজাতের পূর্বে ' ইয়া নবী সালাম
আলাইকা' পড়লাম না কেন?! হায় !!
আমি বয়ান ও মুনাজাতের শুরুতে
সাধারণতঃ 'দরূদে ইব্রাহীম' পড়ি ৷
আজও পড়েছি, ব্যতিক্রম হয় নি ৷
বললাম, দরূদে ইব্রাহীম তো পড়েছি!?
সেটা কি এর চেয়ে উত্তম নয় মশাই?
চতুর বুড়ো উত্তর না দিয়ে এবার
আমাকে এম.ডি স্যারের সামনেই নবী
(সা:) এর মুহাব্বতমালা শিখাতে লাগলেন ৷
যেন নবী (সা:) এর মুহাব্বত সম্পর্কে
আমি অধম বিলকুল বেখবর! নবীকে
মুহাব্বত করলে নাকি ঐ 'ইয়া নবী..'
ছাড়া কোন উপায় নাই!
মেজায খারাপ, জিজ্ঞেস করলাম—
"আপ আলিম হায় কিয়া?!" (আপনি
কি আলেম?) জবাবে যা বললেন —
উনি আলেম নন, ঠালেম (ঠ্যালা) !
আজমীর শরীফের খাদেম !! ইহাই
উনার বড় পরিচয় !!! আফসোস ৷ ..
বললাম,
আগে কিছু ইলম তো হাসিল করুন ..
তারপর-ই না হয় বয়ানটা শুনাইয়েন !

জানিনা,
মেহমানের বে-কদর হলো কিনা কিংবা
এম. ডি স্যার মন খারাপ করেছেন কিনা!
কিছুই করার নেই; সত্য পরাজিত হয় না!

তারিখ: ৯/২/২০১৮ খ্রিঃ

বাল্য বিয়ে/বিবাহ !

হায়, এদেশে 'বাল্য বিয়ে' নামক কথিত অপরাধের (!) জাঁতাকলে পিষ্ঠ হয়ে আঠারো হয়নি বলে বাবা-মা আজ তাদের ষোল / সতেরো বছরের মেয়েকেও বিবাহ দিতে পারছেন না নির্বিঘ্নে ! বিয়ে বাড়ীতে উপস্থিত হয়ে যাচ্ছে 'বন্ধুবেশী' সাংবাদিকসহ সরকারী ও বিভিন্ন এনজিও আমলারা ! 'বাল্য বিয়ে' নামক এই ভয়াবহ অপরাধের (!) কারণে মোটা অংকের জরিমানাও গুণতে হচ্ছে অসহায় বাবা-মা ও বর পক্ষকে! বন্ধুবেশী লোকগুলো ডাকাতের মতো কীভাবে লাঞ্ছিত করলো বর-কনে ও তাদের পরিবারকে! উনারা যে শোভাকাঙ্খী বন্ধু! খুব বেশি দুঃখ লাগে তখন, যখন দেখি- বাল্য বিয়ে নামক (বাস্তবে যা যথোপযুক্ত বিয়ে) বিষয়কে এই ৯২% মুসলমানের দেশে 'অপরাধ' হিসেবে চিহ্নিত করে দেখালেও, অপরাধ হিসেবে দেখানো হয়না 'বাল্য প্রেম/সেক্স' ও বাল্য পতিতাবৃত্তিকে! প্রকাশ্যে ও অপ্রকাশ্যে নানাভাবে বরং এর উৎসাহ এমনকি প্রশিক্ষণও প্রদান করা হচ্ছে! যার অনেক 'নিশ্চিত প্রমাণ' দেওয়া যাবে ৷ একটি বৈধ/নৈতিক ও হালাল পদ্ধতিকে বাঁধাগ্রস্থ করে রেখে একটি অবৈধ/অনৈতিক ও হারাম পদ্ধতির দিকে আমাদের সন্তানদেরকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে কু-পরিকল্পিতভাবেই! যা কোন অবস্থাতেই অন্ততঃ ৯২% মুসলমানের দেশে কাম্য নয় ৷

আমার মতে- নিজ কন্যার প্রতি একজন সত্যিকারের বাবা-মায়ের চেয়ে বেশি দয়াবান, বেশি কল্যাণকামী ও বেশি হিতাকাঙ্খী জগতে আর কেউ হতে পারে না, হওয়া সম্ভব নয় ৷ হলে, নিশ্চিত তার/তাদের মতলব খারাপ ৷ কাজেই, কন্যার স্নেহপরায়ণ বাবা-মা ই জানেন ও বুঝেন, কখন তাদের নয়ণের মণি কন্যাকে বিয়ে দিতে হবে এবং কত বছর বয়সী লোকের সাথে ! এখানে অন্য কারো জঘন্য হস্তক্ষেপ করা আদৌ উচিত নয় ৷

বিয়ে-শাদীর ক্ষেত্রে বঙ্গ আইনে ছেলেদের বয়স কিছুটা যৌক্তিক হলেও মেয়েদের বয়স ১৮ নির্ধারণ করা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক মনে করছি ৷ ১৮ না হয়ে ১৫-১৬ হলেও কিছুটা মানার মত যুক্তি রাখে ! আপনার মন চায় তো- ৫০ বছরের বুড়ী বানিয়ে আপনার মেয়েকে বিয়ে দিন না! কে না করেছে আপনাকে?! কিন্তু, আমরা মনে করি- সব মেয়ে নয়, অনেক মেয়ে ১৫ বছর বয়সেই বিয়ের উপযুক্ত হয়ে যায় এবং যেভাবেই হোক (মিডিয়া, সিনেমা, নাটক, বাজে সংস্রব) প্রয়োজনীয় সবকিছু এর মধ্যেই তারা শিখে ফেলে ৷ ব্যতিক্রম মনে হলে বাবা-মা ই সিদ্ধান্ত নিবেন যে, কখন তাদের কন্যাকে তারা বিয়ে দিবেন ৷ যুগের অধঃপতন ও নিরাপত্তার বিষয়গুলোও তারা মাথায় রাখেন ৷ বিষয়টা দায়িত্ত্বশীলদের 'ইনসাফপূর্ণ' নজরে আসলে ভালো হতো !

মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৭

ব্লু হোয়েল বনাম ফেসবুক

সুসাইড গেম ব্লু হোয়েল নিয়ে বেশ
লেখা-লেখি নজরে এসেছে ৷ তবে,
আদৌ তার বাস্তবতা আছে কী না,
তা আমি জানি না ৷ বাস্তবতা তার
থাকুক বা না-ই থাকুক, ক্ষণিকের
জন্য আমি সেটাকে বাস্তব ও সত্য
ধরে নিয়ে একটা নতুন বিষয়ে খুব
অস্থিরতা বোধ করছি ৷ জানিনা,
আমার এ বিষয়টিকে কে কীভাবে নিবেন !

'ব্লু হোয়েল' ( তাদের কথা যদি সত্য
হয় ) যেই পদ্ধতিতে মানুষকে নেশায়
ফেলে তার 'মূল্যবান জীবনটা' কেঁড়ে নিচ্ছে,
ঠিক সেই একই পদ্ধতিতে যে
'ফেসবুক' আমার মতো অনেককেই
নেশার ঘরে ফেলে এই প্রিয় জীবনের
'মূল্যবান সময়গুলোকে' কেঁড়ে নিচ্ছে,
সেদিকে কিন্তু আমরা লক্ষ্য করছি না!
'ব্লু হোয়েল' আমাদের বানাবে বাস্তব লাশ,
'ফেসবুক' আমাদের বানাচ্ছে জ্যান্ত লাশ!

সেই ২০০৬-এর কথা ৷ ফেসবুকের
বয়স তখন সম্ভব্য দুই বছর হয়েছে ৷
সেই তখন থেকেই একটু একটু করে
পাকা হয়ে আজ ২০১৭ পর্যন্ত পুরো
বারো বছর যাবৎ ফেসবুক ব্যবহার
করে আসছি ৷ এক যুগ .. ৷ খোদার
কসম, এতে লাভের তুলনায় আমার
ক্ষতিই বেশি হয়েছে ! ভয়ঙ্কর নেশা ৷
'ভয়ঙ্কর নেশা' বললাম ................
কারণ আছে; তাহলে বলেই ফেলি–

" বহুবার নিয়ত করেছি, বহুবার .. !
এখনো নিয়ত করি, আর কোনদিন
ফেসবুক ব্যবহার করবো না ! কিন্তু;
কথা আর রাখতে পারি কই ! এখন তো
মনে হচ্ছে, ব্লু হোয়েলের মতো করেই
ফেসবুক আমায় পেয়ে বসেছে ! ও
আমাকে মরণের আগে ছাড়বে না ৷ "

লিখা এখানেই শেষ ৷ কথাগুলো মন
থেকে লিখলাম; মনের ভেতর থেকে ৷
আমি তো আমার মনের কথা লিখলাম,
দেখুন তো, আপনার মনও কি তাই বলে?!

( রাত– ১১ টা ১১ মিনিট ৷
৯ অক্টোবর, ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ ৷)

শনিবার, ৭ অক্টোবর, ২০১৭

মাতা—নাসরুল্লাহ!

গোটা বিশ্বের যেদিকেই লক্ষ্য করছি,
মুসলিম নির্যাতিত; শুধু মুসলিমেরাই
নির্যাতিত হচ্ছে আজ! বিশ্ব মানবতার
এ এক নির্মম পরিহাস! জঘন্য ইতিহাস!
ক্রমেই দূর্বল, ক্ষমতাশূন্য এবং অথর্ব
জাতিতে পরিণত হচ্ছি আমরা ! শেষটা
কোথায় গিয়ে পৌঁছে, আল্লাহুই ভাল জানেন!
মজলূমদের জন্য কিংবা নিজেরকে
রক্ষা করার জন্যও আমরা কিছুই
করতে পারছিনা! আমরা জিহাদ ফী
সাবীলিল্লাহ ছেড়ে দিয়েছি! মৃত্যুভয়
ও দুনিয়ার মুহাব্বত আমাদের চিন্তা-
চেতনায়, মন ও মস্তিস্কে !
"জিহাদ" শব্দটিকেও ইহুদী—খ্রিস্টান
পরিচালিত বিশ্ব মিডিয়া কলুষিত
করে রেখেছে, নিজেদের স্বার্থ রক্ষার্থে !
জিহাদ বলতে আজ জনতা সন্ত্রাস ও
অপরাধ কর্মকান্ডকে বুঝে নিয়েছে !
কি মুসলিম দেশ, কি অমুসলিম দেশ,
সব দেশেই এই ধারণা ছড়ানো হচ্ছে!
সুতরাং আমরা মুসলিমরা আজ মার
খাওয়া ছাড়া কিছুই করতে পারি না !

(ক). তীব্র প্রতিবাদ জানাতে পারি!
(খ). স্মারকলিপি দিতে পারি !
(গ). সাংবাদিক সম্মেলন করতে পারি!
(ঘ). পারি কান্না করতে, দু'আ করতে
এবং বদদু'আ দিতে!
(ঙ). আর পারি টুকিটাকি কিছু ঘুম
পারানো কর্মসূচী দিতে, হাতে নিতে!

নির্দিষ্ট এই গন্ডির বাইরে আর কিছুই
করার ক্ষমতা নেই আমাদের! বাঘ
সাদৃশ জাতি আমরা আজ বিড়াল
সাদৃশ জাতি হয়ে গেছি বা যাচ্ছি !
মাঝে মাঝে মনে হয় তাই, হারিয়ে যাই
এই দুনিয়ে থেকে, আমি ও আমরা !

আশুরায়ে মুহাররম আজ

আশুরায়ে মুহাররম আজ ৷ ..
আজকের এই দিনে আল্লাহ তা'আলা
নবী হযরত মূসাকে (সা.) ফেরাউনের
নির্যাতন ও নিপীড়ন থেকে রক্ষা করে
ফেরাউনকে তার স্বদলবলে চিরতরে
ধ্বংস করে দিয়েছিলেন ৷

ওগো দয়ালু রব,
যেভাবে তুমি ঐ যুগের ফেরাউনের
কবল থেকে তোমার গোলামদেরকে
রক্ষা করেছিলে ও ধ্বংস করেছিলে
ফেরাউনকে তার স্বদলবলে, সেভাবে
তুমি এই যুগের ফেরাউনদের কবল
থেকে রক্ষা করো আমাদেরকে ও ধ্বংস
করে দাও তার উত্তরসূরীদেরকে ! ..