মঙ্গলবার, ৫ জুন, ২০১৮

প্রতিটি অসুস্থতাই যন্ত্রণার!

প্রতিটি অসুস্থতাই যন্ত্রণার!

মাঝে মাঝেই আমরা অসুস্থ হয়ে পড়ি ৷ ঠান্ডা, জ্বর, কাশি, মাথা ব্যথা, টায়ফয়েড, জন্ডিস ও চিকুনগুনিয়ার মতো নতুন নতুন অসুখে! অসুস্থতা কী যে যন্ত্রণার, ভুক্তভুগি ছাড়া কেউ তার যথাযথ উপলব্ধি করতে পারবে না, বর্ণনা দিতে পারবে না ৷ কোনো অসুখকেই ছোট করে দেখার সুযোগ নেই ৷ সবগুলোই যন্ত্রণার ৷
শান্তনার কথা হলো, এগুলো রব-আল্লাহ'র পক্ষ হতে রহমত ও পরীক্ষা ৷ তথাপিও আমরা অনেক সময় ইচ্চায়-অনিচ্ছায় ধৈর্যচ্যুত হয়ে যাই ৷ আল্লাহ মাফ করুন— মুখ দিয়ে বের হয়ে যায় অধৈর্যের কথা, অন্যায় কথা ৷ আবারো বলি, আল্লাহ মাফ করুন ৷
আমাদের বুঝ দূর্বল, চিন্তা-চেতনা দূর্বল, আরো দূর্বল মন-মানসিকতা! তাই কস্ট হয়, দুঃখ হয় এবং বাজে বকি!
আল্লাহ সবরে জামীল নসীব করুন ৷
আজ প্রায় ১৮ দিন যাবত অসুস্থ আমি ৷ ঠান্ডা, জ্বর, কাশি, গুটি/বসন্ত/পক্স ও স্বর ভাঙা .. ধারাবাহিকভাবে!
তারাবীহ পড়াতে কস্ট হয়, তবুও পড়াচ্ছি- আলহামদুলিল্লাহ!
আজ ভোর হতে আবার পুরো শরীর ঝিমঝিম করছে! চক্ষু শীতল হয়ে আসছে! মেজায খিটখিটে লাগছে! সবকিছুই খুব বিরক্ত লাগছে! আল্লাহ রহম করুন, মাফ করুন ৷

অসুস্থ থেকে একটা অভিজ্ঞতা হাসিল হয়েছে যে- সব অসুস্থতাই যন্ত্রণার এবং সব অসুস্থতাই বারবার মৃত্যুকে স্মরণ করিয়ে দেয়!
[ ২১ মে ২০১৮ এর পোস্ট ]

সবার জন্য পরামর্শ–০৪

আমাদের প্রায় সবারই কাছের এমন কিছু
বন্ধু-বান্ধব বা পরিচিতজন থাকেন, যাদের
সাথে আমরা খুব ফ্রেন্ডলি মিশি এবং স্বহাস্য
সব ধরণের গল্পও করে থাকি ! যার ফলে
প্রায়শঃই দেখা যায়, আমরা ও তারা পরষ্পর
রসালো গল্প বা খুব সাধারণ কথোপকথনের
সময়েও এমন এমন শব্দ ও বাক্যের ব্যবহার
করে থাকি, যা অন্য দশ জনের সামনে বলতে
কিছুটা হলেও লজ্জা বা ইতস্তবোধ করি! অথচ
সম্পর্কের দোহাই দিয়ে সেই সকল শব্দ ও বাক্যই
আজ আমরা অবাধে এই অনলাইন মিডিয়া
এবং পাবলিক প্লেসেও ব্যবহার করছি প্রতিনিয়ত!
ফলে লজ্জিত হচ্ছি আমরা সবাই! কারণ,
বিভিন্ন ক্যাটাগরি বা শ্রেনী-পেশার মানুষ
নিয়েই আমাদের ব্যক্তি জীবন সাজানো থাকে!
পরামর্শ হলো,
আমরা যেন বিশেষ করে অনলাইন মিডিয়া
এবং পাবলিক প্লেসে অপর ভাই ও বন্ধুর
সম্মানের প্রতি যথেষ্ট খেয়াল রাখি ! কারো
সামনে কাউকেই যেন লজ্জিত হতে না হয়!

সবার জন্য পরামর্শ–০৩

ফেসবুকসহ বিভিন্ন অনলাইন মিডিয়ায়
মাঝে মাঝেই হয়তো দেখে থাকবো যে–
বিভিন্ন প্রেক্ষাপটকে সামনে রেখে বিভিন্ন
ইসলামি দল ও জাতির কর্ণধার মুহতারাম
আলেম-উলামাদের নিয়ে খুব জঘন্য এবং
অশালীন ভাষায় মন্তব্য করা হচ্ছে! আমি
নিজেও বহু দেখেছি! এমতাবস্থায় আমার
পরামর্শ হলো, " ভিন্ন মত ও ভিন্ন পথেরও
যদি হয়, যৌক্তিক সমালোচনা এবং মার্জিত
ভাষায় যেন করি! অসুন্দর ও অবমাননাকর
শব্দ/বাক্যগুলো যেন আমরা পরিহার করি!
আর যেখানে আমার করা মন্তব্যকে অনর্থক/
বে-ফায়েদা মনে হবে, সেখানে যেন সবচেয়ে
নিরাপদ রাস্তা 'চুপ থাকা'টাকেই বেছে নিই ! "

সবার জন্য পরামর্শ–০২

হাফেজে কুরআন যারা খতমে তারাবীহ
পড়াচ্ছেন, তাদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা ৷

যথেষ্ট দুঃখজনক হলেও সত্য যে,
সারা বছর অন্য সবকিছু করার সময় পেলেও 'আমরা অনেকেই' কুরআনে হাকীম তিলাওয়াতের সুযোগ তেমন পাই না ! কেন পাই না? .. আল্লাহ মা'লূম ! ফলে কুরআন আমাদের দিলে ঘুমিয়ে থাকে ! জাগ্রত থাকে না ! কিন্তু, যবে থেকে রমযান শুরু হয়ে গেলো, সেই ঘুমন্ত কুরআনকে জাগাতে দিন-রাত এক করে তিলাওয়াতে মহা ব্যস্ত হয়ে পড়ি আমরা! সওয়াবের আশায় নয়; তারাবীহ পড়াতে হবে যে ! আল্লাহ মাফ করুন ৷
যাইহোক, তারাবীহ তো পড়াতেই হবে! সেজন্য প্রস্তুতির অংশ হিসেবে পর্যাপ্ত পরিমান তিলাওয়াতও করতে হবে!
কিন্তু, দিন-রাত এক করে না ঘুমিয়ে রমযানে যেন আর এতো মেহনত করতে না হয় বা মেহনত কম করলেই চলে, সেজন্য একটি পরামর্শ ! মানলে কাজে দিবে, নিশ্চিত ! ইনশা আল্লাহ ৷

→ প্রতিদিনের তারাবীহের জন্য যেই পরিমান
তিলাওয়াতের প্রস্তুতি আমরা নিয়ে থাকি ,
ঐ এক-দেড় পারা কুরআন আমরা যেন খুব
ভালোভাবে আয়ত্ত্ব করে নিই! তারাবীহ পূর্ব
সময়ে কাউকে যেন শুনিয়ে নিই! তারাবীহের
পরে যেন কোথাও কোনো ভুল আছে কি না,
শুধরে নিই! সাহরী খেতে উঠবো যখন, তখন
যেন তাহাজ্জুদে দাঁড়িয়ে পুনরায় তা মালিককে
শুনিয়ে দিই! এভাবে যেন প্রতিদিনের আমল
প্রতিদিন করে পুরো একটি মাস কাটিয়ে দিই!
বিশ্বাস করুন, আপনার এই এক মাসের আমল
আপনাকে কমপক্ষে আগামী পাঁচ বছর পর্যন্ত
এনার্জি যোগাবে! প্রতি বছরই যদি এই আমল
জারী রাখা যায়, তাহলে কুরআনের প্রতিটি সূরা ও
আয়াত আপনার সামনে হার হালতে আয়নার
ন্যায় ভাসছে মনে হবে, ইনশা আল্লাহ ৷
তাছাড়া, সারা বছর দৈনন্দিন তিলাওয়াতের
অভ্যাশ তো হাফেজদের জন্য অত্যাবশ্যকীয় ৷

সবার জন্য পরামর্শ–০১

আলিম-উলামা ও ত্বলাবা যারা আছেন-
লেখা-পড়ায় কিংবা চেহারায় একটু কম
হলেও মাদ্রাসা পড়ুয়া মেয়েদেরকেই বিয়ে
করা উচিত ৷ একটু সময় বেশি লাগলেও!
বিপরীত হলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সংসার
টিকে না অথবা সংসারে শান্তি আসে না ৷
পরিক্ষীত, ব্যতিক্রমের সংখ্যা খুবই নগন্য ৷

ভিন্ন পরিবেশের একটি মেয়ে হঠাৎ করেই
বদলে যেতে পারে না ৷ সম্ভব হয়ে উঠে না ৷
যে মেয়েটি আগে থেকেই পর্দা রক্ষা করে
চলা শিখেনি, নামাযের পাবন্দি করেনি এবং
গান-বাদ্য ও নাটক–সিনেমাকে হারাম বলে
জানে নি, সে কীভাবে কারো কথায় হঠাৎ
করেই বদলে যাবে ?! কীভাবে তা সম্ভব? ..
সে তো নিজেকে 'বন্দী পাখি' মনে করবে !
আর সবকিছুই তার কাছে নিশ্চিত বাড়াবাড়ি
মনে হবে ! অবশেষে দেখা যাবে, লাজ–শরম
ও মান-ইজ্জতের মাথা খেয়ে সংসার ভাঙছে!
কিছুই ভাববে না সে ! কিছুই মনে করবে না !

মান হারাবে আপনার এবং শুধুই আপনার ..

মুসলিম জাতির এ কী হলো!

অধঃপতিত মুসলিম উম্মাহ'র এমন একটি
নাজুক সময় আসবে, যখন মাটির ভেতরে
ঢুকে যাওয়ার রাস্তাটাই শুধু নিরাপদ রাস্তা
বিবেচিত হবে !
উম্মত সেদিকেই ক্রমশঃ এগিয়ে যাচ্ছি আমরা!

সোমবার, ১৪ মে, ২০১৮

কবূলিয়াত বড় দামি জিনিস

ভাবনার বিষয় ৷ মনে করে দেখুন—
খুব কাছে থেকে দেখা অনেককেই
দেখে মনে হতো- 'ঝরে যাবে হয় তো'!
কিন্তু, না! ঝরে যায় নি সে/তারা ৷ ..
তাদের অনেকেই আজ সমাজ, দেশ ও
জাতির স্বার্থে বড় বড় কাজ করছে!
" আল্লাহ তাদের কাজে লাগিয়েছেন ! "
আজ তারা সফল ব্যক্তিত্ত্ব প্রমাণে বেশ
এগিয়ে ৷ সে জন্যই তো, কবূলিয়াত বড়
দামি জিনিস ! কিছুই বোঝার উপায় নেই ৷

মঙ্গলবার, ২৭ মার্চ, ২০১৮

হযরত আলীর রাযি. নসীহত

রাতের আঁধারে এমন কোন
কাজ করো না , যার কারণে
দিনের আলোয় তোমাকে মুখ
লুকিয়ে থাকতে হয় ৷ দিনের
আলোতেও এমন কোন কাজ
করো না , যার কারণে 'রাতের
ঘুম' তোমার নষ্ট হয়ে যায় ৷

শনিবার, ১৭ মার্চ, ২০১৮

আজমীর শরীফের খাদেম!

ক'দিনের ছুটি শেষে আজই সকালে
কর্মস্থলে ফিরেছি ৷
জুমু'আর নামাজ আদায় করে রুমে
ফিরছিলাম, হঠাৎ মুসাফাহা করতে
দু'হাত বাড়িয়ে এক বৃদ্ধের আগমন ৷
মুসাফাহা করলাম ৷ কথা বললাম ৷
শুনলাম, উনি আজমীর শরীফের
খাদেম, আমাদের এম. ডি সাহেবের
খাস মেহমান ! সুদূর ভারতবর্ষ থেকে
আমাদের গরীব দেশে ' কালেকশন'
করতে এসেছেন !
কথা হিন্দিতে বললেও উনি বাংলা
কিছু কিছু বুঝেন ৷
আমার জুমু'আপূর্ব বয়ানের অনেক
প্রশংসা করলেন উনি ৷
কিন্তু, উনার অভিযোগ হলো—
মুনাজাতের পূর্বে ' ইয়া নবী সালাম
আলাইকা' পড়লাম না কেন?! হায় !!
আমি বয়ান ও মুনাজাতের শুরুতে
সাধারণতঃ 'দরূদে ইব্রাহীম' পড়ি ৷
আজও পড়েছি, ব্যতিক্রম হয় নি ৷
বললাম, দরূদে ইব্রাহীম তো পড়েছি!?
সেটা কি এর চেয়ে উত্তম নয় মশাই?
চতুর বুড়ো উত্তর না দিয়ে এবার
আমাকে এম.ডি স্যারের সামনেই নবী
(সা:) এর মুহাব্বতমালা শিখাতে লাগলেন ৷
যেন নবী (সা:) এর মুহাব্বত সম্পর্কে
আমি অধম বিলকুল বেখবর! নবীকে
মুহাব্বত করলে নাকি ঐ 'ইয়া নবী..'
ছাড়া কোন উপায় নাই!
মেজায খারাপ, জিজ্ঞেস করলাম—
"আপ আলিম হায় কিয়া?!" (আপনি
কি আলেম?) জবাবে যা বললেন —
উনি আলেম নন, ঠালেম (ঠ্যালা) !
আজমীর শরীফের খাদেম !! ইহাই
উনার বড় পরিচয় !!! আফসোস ৷ ..
বললাম,
আগে কিছু ইলম তো হাসিল করুন ..
তারপর-ই না হয় বয়ানটা শুনাইয়েন !

জানিনা,
মেহমানের বে-কদর হলো কিনা কিংবা
এম. ডি স্যার মন খারাপ করেছেন কিনা!
কিছুই করার নেই; সত্য পরাজিত হয় না!

তারিখ: ৯/২/২০১৮ খ্রিঃ

বাল্য বিয়ে/বিবাহ !

হায়, এদেশে 'বাল্য বিয়ে' নামক কথিত অপরাধের (!) জাঁতাকলে পিষ্ঠ হয়ে আঠারো হয়নি বলে বাবা-মা আজ তাদের ষোল / সতেরো বছরের মেয়েকেও বিবাহ দিতে পারছেন না নির্বিঘ্নে ! বিয়ে বাড়ীতে উপস্থিত হয়ে যাচ্ছে 'বন্ধুবেশী' সাংবাদিকসহ সরকারী ও বিভিন্ন এনজিও আমলারা ! 'বাল্য বিয়ে' নামক এই ভয়াবহ অপরাধের (!) কারণে মোটা অংকের জরিমানাও গুণতে হচ্ছে অসহায় বাবা-মা ও বর পক্ষকে! বন্ধুবেশী লোকগুলো ডাকাতের মতো কীভাবে লাঞ্ছিত করলো বর-কনে ও তাদের পরিবারকে! উনারা যে শোভাকাঙ্খী বন্ধু! খুব বেশি দুঃখ লাগে তখন, যখন দেখি- বাল্য বিয়ে নামক (বাস্তবে যা যথোপযুক্ত বিয়ে) বিষয়কে এই ৯২% মুসলমানের দেশে 'অপরাধ' হিসেবে চিহ্নিত করে দেখালেও, অপরাধ হিসেবে দেখানো হয়না 'বাল্য প্রেম/সেক্স' ও বাল্য পতিতাবৃত্তিকে! প্রকাশ্যে ও অপ্রকাশ্যে নানাভাবে বরং এর উৎসাহ এমনকি প্রশিক্ষণও প্রদান করা হচ্ছে! যার অনেক 'নিশ্চিত প্রমাণ' দেওয়া যাবে ৷ একটি বৈধ/নৈতিক ও হালাল পদ্ধতিকে বাঁধাগ্রস্থ করে রেখে একটি অবৈধ/অনৈতিক ও হারাম পদ্ধতির দিকে আমাদের সন্তানদেরকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে কু-পরিকল্পিতভাবেই! যা কোন অবস্থাতেই অন্ততঃ ৯২% মুসলমানের দেশে কাম্য নয় ৷

আমার মতে- নিজ কন্যার প্রতি একজন সত্যিকারের বাবা-মায়ের চেয়ে বেশি দয়াবান, বেশি কল্যাণকামী ও বেশি হিতাকাঙ্খী জগতে আর কেউ হতে পারে না, হওয়া সম্ভব নয় ৷ হলে, নিশ্চিত তার/তাদের মতলব খারাপ ৷ কাজেই, কন্যার স্নেহপরায়ণ বাবা-মা ই জানেন ও বুঝেন, কখন তাদের নয়ণের মণি কন্যাকে বিয়ে দিতে হবে এবং কত বছর বয়সী লোকের সাথে ! এখানে অন্য কারো জঘন্য হস্তক্ষেপ করা আদৌ উচিত নয় ৷

বিয়ে-শাদীর ক্ষেত্রে বঙ্গ আইনে ছেলেদের বয়স কিছুটা যৌক্তিক হলেও মেয়েদের বয়স ১৮ নির্ধারণ করা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক মনে করছি ৷ ১৮ না হয়ে ১৫-১৬ হলেও কিছুটা মানার মত যুক্তি রাখে ! আপনার মন চায় তো- ৫০ বছরের বুড়ী বানিয়ে আপনার মেয়েকে বিয়ে দিন না! কে না করেছে আপনাকে?! কিন্তু, আমরা মনে করি- সব মেয়ে নয়, অনেক মেয়ে ১৫ বছর বয়সেই বিয়ের উপযুক্ত হয়ে যায় এবং যেভাবেই হোক (মিডিয়া, সিনেমা, নাটক, বাজে সংস্রব) প্রয়োজনীয় সবকিছু এর মধ্যেই তারা শিখে ফেলে ৷ ব্যতিক্রম মনে হলে বাবা-মা ই সিদ্ধান্ত নিবেন যে, কখন তাদের কন্যাকে তারা বিয়ে দিবেন ৷ যুগের অধঃপতন ও নিরাপত্তার বিষয়গুলোও তারা মাথায় রাখেন ৷ বিষয়টা দায়িত্ত্বশীলদের 'ইনসাফপূর্ণ' নজরে আসলে ভালো হতো !