মঙ্গলবার, ৬ এপ্রিল, ২০২১
আপনারও কি এমন হয়? ..
সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
আজব দুনিয়ার অদ্ভূত জনতা!
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২০
ভালো মানুষের সন্ধানে (১)
রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২০
ভালো মানুষদের জন্য দু'আ
শনিবার, ২৭ জুন, ২০২০
হায়, জাতি যদি বুঝতো!
শনিবার, ২০ জুন, ২০২০
কোনকিছুই আর আগের মত নেই!
শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
সন্তানের প্রতি এক বাবার লেখা ..
বাবা হলেন একজন চাইল্ড সাইকোলজিষ্ট এবং হংকং-এর প্রখ্যাত টিভি সম্প্রচারকারী। তার কথাগুলো বয়োজ্যেষ্ঠ, বয়োকনিষ্ঠ, বৃদ্ধ কিংবা তরুণ, শিশু, আমাদের সবার জন্যই প্রযোজ্য। চিঠিটি বাংলায় অনুবাদ করা হয়েছে। ভালো লাগলে আপনার সন্তানদেরও পড়তে দিন।
মনে রাখতে হবে এই চিঠিতে আল্লাহ, মানুষ সৃষ্টিতে আল্লাহর উদ্দেশ্য, মানুষের নিজের দায় এবং দায়িত্ব ইত্যাদি তৌহিদভিত্তিক অনেক বিষয়ই অনুপস্থিত। নিছক বস্তুবাদী চিন্তা ও অভিজ্ঞতা এবং সন্তানের কল্যাণকামিতা থেকেই এই চিঠি লেখা হয়েছে।
——————————————-
প্রিয় সন্তান,
আমি তোমাকে ৩ টি কারনে এই চিঠিটি লিখছি...
১। জীবন, ভাগ্য এবং দুর্ঘটনার কোন নিশ্চয়তা নেই, কেউ জানে না সে কতদিন বাঁচবে।
২। আমি তোমার বাবা, যদি আমি তোমাকে এই কথা না বলি, অন্য কেউ বলবে না।
৩। যা লিখলাম, তা আমার নিজের ব্যক্তিগত তিক্ত অভিজ্ঞতা- এটা হয়তো তোমাকে অনেক অপ্রয়োজনীয় কষ্ট পাওয়া থেকে রক্ষা করতে পারে।
জীবনে চলার পথে এগুলো মনে রাখার চেষ্টা করো:
১। যারা তোমার প্রতি সদয় ছিল না, তাঁদের উপর অসন্তোষ পুষে রেখো না। কারণ, তোমার মা এবং আমি ছাড়া, তোমার প্রতি সুবিচার করা কারো দায়িত্বের মধ্যে পড়ে না। আর যারা তোমার সাথে ভালো ব্যবহার করেছে - তোমার উচিত সেটার সঠিক মূল্যায়ন করা এবং কৃতজ্ঞ থাকা। তবে তোমার সতর্ক থাকতে হবে এজন্য যে, প্রতিটি মানুষেরই প্রতি পদক্ষেপের নিজ নিজ উদ্দেশ্য থাকতে পারে। একজন মানুষ আজ তোমার সাথে ভালো- তার মানে এই নয় যে সে সবসময়ই ভালো থাকবে। কাজেই খুব দ্রুত কাউকে প্রকৃত বন্ধু ভেবো না।🌸
২। জীবনে কিছুই কিংবা কেউই "অপরিহার্য" নয়, যা তোমার পেতেই হবে। একবার যখন তুমি এ কথাটির গভীরতা অনুধাবন করবে, তখন জীবনের পথ চলা অনেক সহজ হবে - বিশেষ করে যখন বহুল প্রত্যাশিত কিছু হারাবে, কিংবা তোমার তথাকথিত আত্মীয়-স্বজনকে তোমার পাশে পাবে না। 🌸
3. জীবন সংক্ষিপ্ত।
আজ তুমি জীবনকে অবহেলা করলে, কাল জীবন তোমাকে ছেড়ে চলে যাবে। কাজেই জীবনকে তুমি যতো তাড়াতাড়ি মূল্যায়ন করতে শিখবে, ততোই বেশী উপভোগ করতে পারবে। 🌸
৪. ভালবাসা একটি ক্ষণস্থায়ী অনুভূতি ছাড়া কিছুই নয়। মানুষের মেজায আর সময়ের সাথে সাথে এই অনুভূতি বিবর্ণ হবে। যদি তোমার তথাকথিত কাছের মানুষ তোমাকে ছেড়ে চলে যায়, ধৈর্য ধরো, সময় তোমার সব ব্যথা-বিষন্নতা কে ধুয়ে-মুছে দেবে। কখনো প্রেম-ভালবাসার মিষ্টতা এবং সৌন্দর্যকে নিয়ে বাড়াবাড়ি করবে না, আবার ভালবাসা হারিয়ে বিষণ্ণতায়ও অতিরঞ্জিত হবে না।🌸
৫. অনেক সফল লোক আছেন যাদের হয়তো উচ্চশিক্ষা ছিল না- এর অর্থ এই নয় যে তুমিও কঠোর পরিশ্রম বা শিক্ষালাভ ছাড়াই সফল হতে পারবে! তুমি যতোটুকু জ্ঞানই অর্জন করো না কেন, তাই হলো তোমার জীবনের অস্ত্র। কেউ ছেঁড়া কাঁথা থেকে লাখ টাকার অধিকারী হতেই পারে, তবে এজন্য তাকে অবশ্যই পরিশ্রম করতে হবে।🌸
৬. আমি আশা করি না যে, আমার বার্ধক্যে তুমি আমাকে আর্থিক সহায়তা দিবে। আবার আমিও তোমার সারাজীবন ধরে তোমাকে অর্থ সহায়তা দিয়ে যাব না। যখনি তুমি প্রাপ্তবয়স্ক হবে, তখনি বাবা হিসেবে আমার অর্থ-সহায়তা দেবার দিন শেষ। তারপর, তোমাকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে- তুমি কি পাবলিক পরিবহনে যাতায়াত করবে, নাকি নিজস্ব লিমুজিন হাঁকাবে; গরীব থাকবে নাকি ধনী হবে। 🌸
৭. তুমি তোমার কথার মর্যাদা রাখবে, কিন্তু অন্যদের কাছে তা আশা করো না। মানুষের সাথে ভালো আচরন করবে, তবে অন্যরাও তোমার সাথে ভালো থাকবে- তা প্রত্যাশা করবে না। যদি তুমি এটি না বুঝতে পারো, তবে শুধু অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রণাই পাবে। 🌸
৮. আমি অনেক বছর ধরে লটারি কিনেছি, কিন্তু কখনও কোন পুরষ্কার পাইনি। তার মানে হলো এই যে- যদি তুমি সমৃদ্ধি চাও তবে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। বিনামূল্যে কোথাও কিছু জুটবে না। 🌸
৯. তোমার সাথে আমি কতোটা সময় থাকবো- সেটা কোন ব্যাপার না। বরং চলো আমরা আমাদের একসাথে কাটানো মুহুর্তগুলো উপভোগ করি ...মূল্যায়ন করি।
শনিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
সবার জন্য পরামর্শ–১৩
বিষয়: পাত্রী চয়ণ
বিয়ে ৷ বহু প্রতীক্ষীত ও আকাঙ্খীত একটি
পবিত্র বন্ধনের নাম! কার না সাধ জাগে এই
পবিত্র বন্ধনে নিজেকে আবদ্ধ করতে! তবে,
বিয়ে যে সবসময়ই শুভ হয় তা নয়, অশুভও
হয় মাঝে মাঝে! পাত্রী চয়ণে তাই হুঁশিয়ার ৷
পাত্রী চয়ণে সাধারণতঃ যে ভুলটা প্রায়শঃই
আমরা করে থাকি, চেহারা পছন্দ হলে অন্য
কোন বিষয় আমরা আর সামনে আনি না বা
দেখার প্রয়োজন মনে করি না ৷ কী সাধারণ
পাবলিক, কী বিশেষ পাবলিক– সবাই প্রায়
বাহ্যিক সৌন্দর্যে ও লাবণ্যে মাতোয়ারা ৷ ...
ফলাফল, দূর্বিসহ ও দুঃসহনীয় জীবন যাপন!
অনেকের ক্ষেত্রেই আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি
ও যথেষ্ট উপলব্ধি করেছি! আল্লাহ রহম করুন ৷
বাহ্যিক সৌন্দর্যের দরকার আছে, তা অস্বীকার
করার কোন উপায় কারো নেই! তবে, এটাই কি
একমাত্র দরকার ও লক্ষণীয় বিষয় হতে পারে?!
সঠিক পাত্রী চয়ণে আরো কিছু বিষয় লক্ষ্য
করা জরুরী মনে করি, যেমন: পাত্রীর আখলাক
চরিত্র সম্পর্কে খবর নেয়া, সাধারণ জ্ঞানের
পরীক্ষা নেয়া, তার মা-বাবার দ্বীনদারিতার
খবর নেয়া, বিশেষভাবে তার মায়ের ! হ্যাঁ,
তার মায়ের দ্বীনদারিতার খবর বিশেষভাবে নেয়া ৷
পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি রাখা ও থাকার
জ্ঞান অনেক মেয়েরই থাকে না ৷ যেটা খুব
জরুরী ৷ যাইহোক, এগুলো একটি মেয়ের
জন্য যেমন জরুরী, একজন ছেলের জন্যও তেমন
জরুরী ছিল ৷ যদি সবাই বুঝতে পারি ৷
পাত্রী ও পাত্র চয়ণে কেউ ভুল না করি,
সাধের দাম্পত্য জীবন সবার সুখের হোক ৷
সবার জন্য পরামর্শ–১২
রাস্তা-ঘাটে যারা মোটর-বাইকে চড়ে বেড়ান,
ভাই, একটু হুঁশের সাথে ড্রাইভ করে চলুন !
বৃষ্টি-বাদলের দিন, রাস্তার দু'পাশে চলা কতজনের সাধের কাঁপড়ই না নস্ট করে চলেছেন প্রতিনিয়ত! হয়তো খেয়ালই করা হয়নি কখনো, কোনদিন! তাই, বিশেষ করে
আমার মতো সাদা পোশাকধারী লোকদের
প্রতি এক্সট্রা খেয়াল রাখার অনুরোধ থাকলো!
রবিবার, ২৯ জুলাই, ২০১৮
হে আল্লাহ, কোথায় যাবো আমরা?!
সেদিনও পৃথিবী থরথর করে
কাঁপতো মুসলিমদের হুংকারে !
আদল ও ইনসাফের মসনদ
প্রতিষ্ঠিত ছিলো গোটা জগতে !
আকাশ-বাতাস মুখরিত হতো
আল্লাহ আকবার জয় ধ্বনিতে !
শান্তিতে ছিলো মানুষ, সু-শান্ত
ছিলো- আজকের এই পৃথিবী !
সব কিছুই ছিলো সুশৃংখলাবদ্ধ।
' বেশি সুখে থাকলে
নাকি ভূঁতে কিলায় ! '
রসাত্মক এই কথাই একসময়
মর্মান্তিক বাস্তবে রুপ নিলো !
ফলে- সব কিছুই এলোমেলো !!
ক্রমেই মুসলিম শাসকবর্গের
মাঝে দেখা দিতে থাকে নৈতিক
অধঃপতন এবং রাজনৈতিক
অদূরদর্শীতা বা অপরিপক্কতা !
ফলে- খুবই দ্রুত তাদের রাজ্য
ক্ষমতার ভিত দূর্বল / নড়বড়ে
হতে থাকে ... হওয়ারই কথা !
এদিকে সাধারণ জনতার মাঝে
দেখা দিতে থাকে অপসাংস্কৃতি
চর্চা ও ধর্মীয় মূল্যবোধহীণতা !
ঠিক এই সুযোগেই মুসলিমদের
জাতিয় দুশমন ইয়াহুদী-খ্রিষ্টান
ও মুশরিকেরা আগ্রাসনের হাত
বাড়াতে থাকে ইসলামি ভূ-খন্ড
/ রাজ্য / State গুলোর প্রতি !
অধঃপতিত এই মুসলিমেরা কী
আর করবে তাদের মোকাবেলা!
ভেতরগত কোন্দল ও দলাদলি
অনেক আগেই ধর্মকে তাদের
পেছনে ছুঁড়ে দিয়েছে !
" ধর্ম পালন করবে মোল্লারা ! "
হালের ' Public ' তো এটাই
ইয়াকীন/বিশ্বাস করে নিয়েছে !!
তাই, তাদেরও মাথা ব্যথা নেই।
সারা দুনিয়ায় আজ চলছে -
মুসলিম নিদনের মহোৎসব !
সকল জাতি ও অপশক্তিগুলো
এক এক করে হাত মিলাচ্ছে !
লক্ষ্য তাদের কেবল একটিঃ-
' মুসলিম মুক্ত পৃথিবী গড়বে ! '
এ পৃথিবী নাকি শুধুই তাদের !!
বিশ্ব মুসলিমেরা আজ লাঞ্চিত
ও মারমূখী হয়েই বেঁচে আছে !
কোত্থাও তাদের আশ্রয় নেই !!
গতকাল শনিবার পুরো দিন
চলেছে হিন্দু ও মুসলিমদের
মাঝে তুমুল দাঙ্গা এবং হয়েছে
ভীষণ ভয়াবহ মারামারি !!
আজকে আরো কী যে হতে
যাচ্ছে, তা কেবল উপরওয়ালা
আল্লাহই ভালো জানেন ...
এ হচ্ছে উত্তর ভারতের জেলা
সাহারানপুরের চলমান ঘটনা !
ভারতে অবশ্য এগুলো দু'দিন
পরপরই হয়ে চলছে/থাকে ...
বিচার করবে কে এবং কার ?!
অপরদিকে কাশ্মীর, গুজরাট,
আফগান, ইরাক, পাকিস্তান ও
সিরিয়া তো ভয়াল রণক্ষেত্র !
এদিকে জ্বলছে গাজা শহর !!
ইয়াহুদী ও খ্রিষ্টানেরা মারছে,
আর নিরীহ মুসলিমেরা মরছে !
হে আল্লাহ,
এভাবে চলতে চলতে তবে এর
শেষটা কোথায় গিয়ে পৌঁছুবে ?!
কেবল তোমাকেই সিজদাকারী
এ জাতিকে কে রক্ষা করবে ? ..
নির্যাতিত এ জনতার কান্না কি
তোমার দুয়ারে পৌঁছে না ?!
গোটা দুনিয়া আজ মুসলিমদের
জন্য ক্রমেই খুব বেশি সংকুচিত
হয়ে আসছে ! এ কী হলো দশা !?
" নির্যাতিত ও অধঃপতিত "
এ জাতিকে তুমি তোমার মতো
করেই রক্ষা করো, হে আল্লাহ !